|
|
|
Crescent: |
|
|
 |
বাংলাদেশের আবাসন শিল্প এবং এর সম্ভাবনা
|
বাংলাদেশ আয়তনে একটি ছোট দেশ হলেও এর জনসংখ্যা
প্রচুর৷ প্রায় ৫৬ হাজার বর্গমাইলের বাংলাদেশে ১৫কোটি মানুষের বসবাস৷ শুধু ঢাকা শহরেই
বাস করে প্রায় দেড় কোটি মানুষ৷ খাদ্য, বস্ত্রের পরেই মানুষের মৌলিক চাহিদা বাসস্থান৷
তাই একদিকে খাদ্যের স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করা স্বাধীন দেশের জন্য একটা অতি প্রয়োজনীয়
বিষয়৷ সাথে সাথে বসবাস উপযোগী পরিবেশ বান্ধব আবাসন তৈরী করাও জরুরী৷ সরকারের একার পক্ষে
আবাসন সমস্যা সমাধান করা প্রায় অসম্ভব ৷ তাই সরকারের উচিত মানুষের মৌলিক অধিকার আবাসন
সমস্যা সমাধানে বেসরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে সার্বিক সহযোগিতা করা৷ সরকারের সংশ্লিষ্ট
বিভাগের উচিত ঢাকা শহরসহ সমগ্র বাংলাদেশের জন্য আবাসনের দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ
করা ৷ সারাদেশে ফসলি জমির ঘাটতি না করে পরিকল্পিত মাস্টার-প্ল্যান করে অগ্রসর হওয়া
এখন সময়ের দাবী৷
ঢাকা শহরের দেড়কোটি মানুষের জন্য যে জায়গা আছে এ জায়গার সুষ্ঠু ব্যবহার করার ক্ষেত্রে সরকারের বাস্তবভিত্তিক ভূমি বন্টনের পদক্ষেপ নেয়া জরুরী৷ রাজউক এবং ন্যাশনাল হাউজিং অথরিটির সমস্ত জায়গা ব্যক্তিগতভাবে বন্টনের সমস্ত পদক্ষেপ বন্ধ করে সামষ্টিকভাবে পদক্ষেপ নেয়া দরকার৷ এক্ষেত্রে রিহ্যাবের সদস্যভুক্ত ডেভেলপার কোম্পানীগুলোকে প্রাধান্য দিয়ে অংশীদারের ভিত্তিতে জমি বন্টন করে দ্রুত আবাসন সমস্যা সমাধানের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া দরকার৷ এক্ষেত্রে রাজউক, সরকারের গণপূর্ত বিভাগ ও রিহ্যাব সমন্বয়ে একটি যৌথ কমিটি করে আশু পদক্ষেপ নেয়া হলে আগামী ৫ বছরের মধ্যে সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বেসরকারী পর্যায়ে আবাসন সমস্যার এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ নেয়া সম্ভব হবে৷
বস্তি সমস্যায় ঢাকা শহরসহ বিভাগীয় শহরগুলোর একদিকে যেমন সৌন্দর্য হানি হচেছ অন্যদিকে বিভিন্ন অসামাজিক কার্যকলাপের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে৷ যোগাযোগ ব্যবস্থার যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়ে বিশেষ করে রেলওয়ে যোগাযোগ স্থাপন করে দুর-দুরান্তে ছোট-বড় আবাসস্থল গড়ার পদক্ষেপ নেয়া যেতে পারে৷ দুনিয়ার বিভিন্ন দেশে পঞ্চাশ মাইল দূর থেকে এসে অফিস-আদালত করে আবার স্বল্প সময়ে বাড়ী ফেয়ার সুযোগ রয়েছে৷ যাতায়াত ব্যবস্থার সুষ্ঠ সমাধানই এ পদক্ষেপকে সহায়ক করে তুলেছে৷ এক্ষেত্রে ঢাকা শহরের সাথে ৭/৮টি শহর যেমন-নারায়ানগন্জ, কুমিল্লা, মুন্সীগন্জ, মানিকগন্জ, টাংগাইল, জয়দেবপুর, নরসিংদী, (7 Sister of Dhaka City) এর রেল, সড়ক, ও সম্ভাব্য এলাকায় পানি পথে যোগাযোগ ব্যাবস্থার আমুল পরিবর্তন করে ঢাকা শহরের নিচে পাতাল রেল স্টেশন ও বাস স্টেশনের ব্যবস্থা করা যেতে পারে ৷ ঢাকার কাছাকাছি যেমন-টঙ্গি, আমিন বাজার, যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে ট্রেন ও বাস আন্ডার গ্রাউন্ড স্টেশনে আসবে, আবার যাত্রী নিয়ে যাওয়ার সময় শহরের বাইরে যেয়ে surface -এ চলে যাবে ৷এভাবে ঢাকার লোক সংখ্যা নিয়ন্ত্রন করা যাবে; অন্যদিকে ৭টি জেলার অবকাঠামো যেমন-স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল, বাজারের উন্নতি-সাধন করে দূর-দুরান্তে মানুষের আবাস স্থলের ব্যবস্থা করা যাবে ৷ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো ও মালয়েশীয়া এক্ষেত্রে কারিগরি ও আর্থিক সাহায্য নিয়ে এগিয়ে আসবে ৷ এ ব্যাপারে
সংশ্লিষ্ট সরকারী ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে এগিয়ে আসতে হবে ৷
আবাসন সমস্যা সমাধানে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে সামগ্রিকভাবে দীর্ঘমেয়াদী বাস্তবভিত্তিক পদক্ষেপ নিতে হবে৷ পৃথিবীর সকল উন্নয়নশীল দেশে ১% থেকে ৭% লাভে আবাসন ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করা হয়৷কিন্তু বাংলাদেশে ১২% থেকে ১৮% হারে বিনিয়োগে লাভ নেয়া হয় - যা আমাদের সরকারী কর্মকর্তা, মধ্যবিত্ত, নিম্নমধ্যবিত্তদের আবাসন ব্যবস্থা সমাধানে মোটেও উৎসাহব্যঞ্জক নয়৷ এক্ষেত্রে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ ইসলামী ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকসহ বিদেশী অর্থলগ্নী প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে যোগাযোগ করে স্বল্প পরিমাণ সার্ভিস চার্জ নিয়ে আবাসন সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসতে পারে৷ বেসরকারী সংস্থা রিহ্যাবও সরকারের সাথে একযোগে কাজ করার ব্যাপারে আগ্রহশীল৷
ভূমি ও এপার্টমেন্ট রেজিষ্ট্রেশন এর ক্ষেত্রেও জঠিলতা এড়ানো দরকার৷ ইতোমধ্যে সরকার এ বিষয়ে বেশ কিছু অনুকুল পদক্ষেপ নিয়েছেন৷ রেজিষ্ট্রেশন খরচ বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশী৷ এই খরচ ৫% এর নিচে নামিয়ে আনা অত্যন্ত জরুরী৷ রেজিষ্ট্রেশন খরচ বেশী হওয়ার কারণে সরকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচেছ৷ এই খরচ কমালে একদিকে যেমন মানুষের ভূমি ও এপার্টমেন্ট রেজিষ্টেশন করার প্রবণতা বাড়বে অন্যদিকে সরকারের রাজস্ব আহরণও বেড়ে যাবে৷
সরকার ইতোমধ্যে ঢাকা শহরকে সুপরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে নির্মাণ বিধিমালা-৬ এবং ৭ প্রণয়ন করেছে৷ এই বিধিমালা একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ৷ কিন্তু বিধিমালা কার্যকর করার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো গত ১ বছরে বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ নিতে পারেনি৷ যার ফলে নতুন বিধিমালার আওতায় প্ল্যান পাশ এখনও সহজতর করা যায়নি৷ এক্ষেত্রে সরকার প্রচার মাধ্যমগুলো ব্যবহার করে নতুন বিধিমালার প্রয়োজনীয় দিকগুলো প্রচার করে সাধারণ মানুষের মাঝে এর গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধির ব্যবস্থা করতে পারে৷ এর পাশাপাশি রিহ্যাব সদস্যভুক্ত কোম্পানীগুলোকেও কাজে লাগানো যেতে পারে৷
ঢাকা শহরের মত সকল জেলা ও থানা শহরগুলোকেও আবাসন পরিকল্পনার আওতায় এনে কম জমিতে বেশী আবাসন সুবিধা তৈরীর ব্যাপারে এখনই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া জরুরী৷ সর্বক্ষেত্রেই জনসাধারণের সুবিধা যেমন- ফায়ার ব্রিগেড এম্বুল্যান্সসহ সার্বিক নাগরিক সুবিধা সামনে রেখেই এ পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে এবং এ পরিকল্পনা কোনভাবে স্বল্প-মেয়াদী পরিকল্পনা হলে চলবে না - নিতে হবে দীর্ঘমেয়াদী৷ এভাবেই বাংলাদেশকে একটি সুন্দর দেশ হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে৷
মরহুম জহুরুল ইসলাম প্রথম বেসরকারীভাবে আবাসন সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসেন৷ আস্তে আস্তে তাঁর পথ অনুসরন করে অন্যান্য আবাসন শিল্প গড়ে ওঠে৷ রিয়েল এস্টেট এন্ড হাউজিং এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-রিহ্যাব বাংলাদেশের সুপরিকল্পিত আবাসন সমস্যা সমাধানের এক বলিষ্ঠ সংগঠন৷ ১৯৯১ সালে ১১জন সদস্য নিয়ে গঠিত এ সংগঠন বর্তমানে ৩৬৩ সদস্য সংখ্যায় দাঁড়িয়েছে৷ এছাড়াও রয়েছে আরও প্রায় সমান সংখ্যক রিহ্যাবের সদস্য নয় এমন প্রতিষ্ঠান৷ দেশে-বিদেশে পরিকল্পিত আবাসনের বিষয়ে জনসাধারণকে সচেতন করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে এই পতিষ্ঠান৷ প্রতিবছর এজন্য মেলার আয়োজন করা হয়ে থাকে৷ গত ২০ থেকে ২৪শে নভেম্বর ২০০৭ ঢাকা শেরাটনে মেলার আয়োজন করে একদিকে যেমন জনসচেতনতা বাড়ানোর পদক্ষেপ নিয়েছে অন্যদিকে ক্রেতাসাধারণকে যাচাই-বাছাই করে তাদের পছন্দসই প্লট বা ফ্ল্যাট ক্রয়ের সুযোগ করে দিয়েছে৷ রিহ্যাবের ১৩৬টি সদস্য মেলায় অংশগ্রহণ করছে৷ ক্রিসেন্ট হোল্ডিংস লিমিটেড অন্যান্য বারের ন্যায় এবারও মেলায় অংশগ্রণ করছে এবং সবার চাহিদার কথা গুরুত্বের সাথে বিবেচনায় নিয়েছে৷ দেশী বা বিদেশী সকল স্তরের ক্রেতারাই সাধারণত স্বল্প বিনিয়োগে একটি ভাল আবাসন ব্যবস্থা আশা করে থাকেন৷ ক্রিসেন্ট হোল্ডিংস লিমিটেড তাদের এই চাহিদা পূরনের জন্য আকৃতিতে ছোট অথচ সকল সুবিধা উপস্থিত রয়েছে এমন অ্যাপার্টমেন্ট তৈরীর পদৰেপ নিয়েছে৷ প্রবাসী বাংলাদেশীদের পাশাপাশি শহরকেন্দ্রিক মানুষেরাও চায় স্বল্প ব্যয়ে একটি সুন্দর আবাসন আর এ জন্যই ঢাকা বিমান বন্দরের সন্নিকটে খিলক্ষেত এবং মিরপুর ও মুহাম্মদপুরে ক্রিসেন্ট হোল্ডিংস লিমিটেড প্রকল্প নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে৷ স্বল্প ও মধ্যম পর্যায়ের বিনিয়োগকারীদের জন্য ২/৩ বেডের ফ্ল্যাটগুলিতে আধুনিক নগর কেন্দ্রিক জীবন ব্যবস্থার সকল সুযোগ সুবিধাই বিদ্যমান থাকবে৷ সকলকে যে ধরনের সুযোগ সুবিধা সম্বলিত ফ্ল্যাট বেশী আকৃষ্ট করে, ক্রিসেন্ট হোল্ডিংস লিঃ সেই দিকগুলি বেশী নজরে রাখছে৷ ক্রিসেন্ট ১৫-২৫ লক্ষ টাকার মধ্যে সাধারণ ক্রেতাদের ফ্ল্যাট দেয়ার পরিকল্পনা করেছে৷ ক্রতাসাধারণকে সচেতনভাবে প্লট বা ফ্ল্যাট ক্রয়ের ক্ষেত্রে উদ্যোগী হতে হবে যাতে করে কোন প্রতারনার শিকার না হন৷
রিহ্যাবের পক্ষ থেকে স্বচছতারসাথে প্লানভুক্ত প্লট বা ফ্ল্যাট বিক্রয়ের ব্যাপারে ইতোমধ্যেই তাদেরকে সচেতন করা হয়েছে৷ ছোটদেশ বাংলাদেশ আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি৷ এদেশকে গড়ার দায়িত্ব আমাদের সকলের৷ সরকারের পাশাপাশি বেসরকারী উদ্যোক্তারাও ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসলে এদেশেকে আমরা গড়ে তুলতে সক্ষম হব, ইনশাআল্লাহ৷
|
|
-------------------------- |
|
If You do not see the Bengali Please follow the instructions: |
|
Click here for Font and Save it as : Start=> Control Panel=> Fonts=> Paste
it |
|
|
|
Corporate Office Address: |
Abosar Bhaban(3rd Flr), 7-13 Satmasjid Road, Dhanmondi, Dhaka 1209
Tel : 88-02-8118698, 9121400, 9121135, 9142268
Cell : 01713-043878, 01713-034490, 01819-229532,
Fax : 88-02-8151068
E-mail : info@crescentholdings.net Website :
www.crescentholdings.net |
|
All rights reserved by: Crescent Holdings Ltd..
|